আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষ ভালো বিনোদন পাওয়ার যোগ্য। সেই বিশ্বাস থেকেই liqd তৈরি হয়েছে – বাংলায়, বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে।
"বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষ যেন নিরাপদে, বিশ্বাসের সাথে এবং নিজের ভাষায় গেমিং উপভোগ করতে পারেন – এটাই liqd-এর মূল লক্ষ্য।"
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মই বিদেশি ভাষায়, বিদেশি পেমেন্ট সিস্টেমে – যেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বানানোই হয়নি। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই liqd-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে।
liqd-এর পেছনে আছে একটি অভিজ্ঞ প্রযুক্তি দল, যারা দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল বিনোদন ও পেমেন্ট প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন। তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল – এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেখানে ঢাকার কেউ যেমন সহজে খেলতে পারবেন, চট্টগ্রামের কেউও তেমনই পারবেন। সিলেটের চা বাগানের শ্রমিক থেকে শুরু করে রাজধানীর ব্যবসায়ী – সবার জন্যই liqd সমানভাবে কাজ করে।
শুরুর দিকে liqd শুধু কয়েকটি গেম নিয়ে কাজ শুরু করেছিল। ধীরে ধীরে ব্যবহারকারীদের মতামত শুনে, তাদের চাহিদা বুঝে প্ল্যাটফর্মটি বড় হয়েছে। আজ liqd-এ আছে ৫০০-এর বেশি গেম, লাইভ ক্রিকেট বেটিং, জ্যাকপট স্লট, বাকারা, রুলেট এবং আরও অনেক কিছু।
liqd-এ যোগ দেওয়ার আগে অনেকে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা করেন সেটা হলো – "টাকা তুলতে কোনো ঝামেলা হবে না তো?" এই প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর হলো আমাদের তথ্য। liqd-এ গড়ে ৫ মিনিটের মধ্যে বিকাশ ও নগদে উইথড্রয়াল হয়। কখনো কখনো আরও কম সময়েও হয়। পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে আমরা কোনো আপোষ করি না – কারণ এটাই ব্যবহারকারীদের সাথে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি।
বিকাশ, নগদ, রকেট এবং ব্যাংক ট্রান্সফার – সবগুলো পেমেন্ট চ্যানেল একটি অ্যাপ থেকেই ব্যবহার করা যায়। ডিপোজিটের ক্ষেত্রেও কোনো লুকানো চার্জ নেই। liqd কখনো ব্যবহারকারীর টাকা আটকে রাখে না।
বাংলাদেশের অনেক মানুষ ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। কোনো সমস্যায় পড়লে ইংরেজিতে ব্যাখ্যা করা কঠিন হয়ে পড়ে। liqd সেই বাস্তবতাটা বোঝে। তাই আমাদের পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় – ইন্টারফেস, সাপোর্ট চ্যাট, পেমেন্ট গাইড সবকিছু। সাপোর্ট টিমের প্রতিটি সদস্য বাংলায় কথা বলেন এবং ব্যবহারকারীর সমস্যা বুঝে সমাধান দেন।
liqd-এ সাপোর্ট পাওয়া মানে কোনো রোবোটিক উত্তর নয়। একজন মানুষ আপনার সমস্যা শুনবেন, বুঝবেন এবং সমাধান দেবেন। এই মানবিক সংযোগটাই liqd-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা ব্যবহারকারীর সুবিধাকে প্রাধান্য দিই। এই ছয়টি বিষয়ে আমরা কোনো আপোষ করি না।
২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত liqd প্রতি বছর নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
liqd-এর পেছনে আছেন বাংলাদেশের প্রযুক্তি, পেমেন্ট ও গেমিং শিল্পের অভিজ্ঞ পেশাদাররা।